দোয়া

যে মহিলার অকালে সন্তানের মৃত্যু হয় সে যেন নিম্ন সূরাটি পাঠ করে।

সূরা মোজাম্মিল ৭ বার পাঠ করতে হবে, এবং প্রত্যেক বার পাঠ করার পর ফুঁ দিতে হবে।ইনশা আল্লাহ সন্তান অকাল মৃত্যু থেকে রক্ষা পাবে।

প্রত্যেক ৫ ওয়াক্ত নামাযের পর নিম্ন আয়াতটি পাঠ করলে ইনশা আল্লাহ সন্তান পাওয়ার আশা পূরণ হবে।

“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম রাব্বে লা তাযারনি ফারদাওঁ ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারেসিন”

 

সন্তান লাভের জন্য নামাজ ও দোয়া
যদি কোন ব্যক্তি চান তার পত্নী সন্তান ধারন এর জন্য তাহলে জুম্মা নামাযের পর ২ (দুই) রাকাআত নামাজ আদায় করতে হবে এবং নিম্ন দোয়াটি রুকু ও সেদাহতে পাঠ করতে হবে।

“আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা বেমা সা আলাকা বেহী যাকারিয়া রাব্বেলা তাযারনি ফারদ ওয়ান ওয়া আন্তা খাইরোল ওয়ারেসিনা আল্লাহুম্মা হাবলি মিল লাদুকনা যোরইয়াতান ইন্নাকা সামিয়ুদ দোয়ায়ে আল্লাহুম্মা বে ইসমেকা ইসতা লাল তুহা ওয়া ফি আমানাতেকা আখাযতোহা ফা ইন ক্বাযায়তা ফি রাহমিহা ওয়ালাদাওঁ লিআহ শাইতানে ওয়ায আলহো গোলামান মোবারাকান যাকিয়ান ওয়ালা তাজ আল লিস শাইতান ফিহি শিরকাওঁ ওয়ালা নিসিবান”।

 

 গর্ভবতীর নিরাপত্তার জন্য
নিম্ন দোয়াটি গর্ভবতীর প্রথম দিন হতে ৪০ (চল্লিশ) দিন পর্যন্ত বেধে রাখতে হবে এবং পরবর্তী ৯ (নয়) মাসের সময়ে আবার বেধে দিতে হবে। নতুন শিশু ভূমিষ্ট হবার পর দোয়াটি শিশুকে বেধে দিতে হবে।

“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ওয়াল লাতি আহসানাত ফারজাহা ফানাফাখনা ফিহা মির রুহহেনা ওয়া জাআল নাহা ওয়াবনাহা আয়াতাল লিল আলামিন (সুরা আন্বিয়াঃ ৯১) ইন্না হাযেহি ওমমা তুকোম ওঁমমাতাওঁ ওয়াহেদাতাওঁ ওয়া আনা রাব্বুকোম ফা বুদোন (সুরা আন্বিয়াঃ ৯২) ওয়া তাক্বাত তা ও আমরাহোম বায়নাহোম কুল্লোন ইলায়না রাজেউন(সুরা আন্বিয়াঃ ৯৩)”।

 

গর্ভবতীর নিরাপত্তা ও গর্ভপাত থেকে রক্ষার জন্য
নিম্ন দোয়াটি জাফরান দিয়ে লিখে কাপড়ে মোমের প্রলেপ দিয়ে বেধে গলায় পড়িয়ে দিতে হবে।

“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ইয়া আইয়োহান নাসোত তাক্বো রাব্বাকোম ইন্না যালযাতাশ সাআতে সায়ওন আযিম”।

 

সন্তান পাওয়ার আশায় যে, সকল ধরনের আশা হারিয়ে ফেলেছে।সে অবশ্যই যাতে নিম্ন আয়াতটি ঘন ঘন পাঠ করে।
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম রাব্ব হাবলি মিল লাদোনকা যোররিয়াতান তাইয়েবাতান ইন্নাকা সামিয়ুদ দা-য়ে”

 

যে ব্যক্তি সম্মানিত অর্থে সন্তান পাওয়ার আশা করে, নিম্ন দোয়াটি প্রত্যেক ৫ ওয়াক্তের নামাযের পর ৩ বার পাঠ করে।
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম রাব্বে লা তাযারনি ফারদাওঁ ওয়া আন্তা খাইরোল ওয়ারেসিন”

 

ধার পরিশোধের জন্য
নিম্ন দোয়াটি শুক্রবার এবং অন্যান্য সপ্তাহে পাঠ করতে হবে

“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আল্লাহুম্মা আগ্বনি নেবি হালালেকা আন হারামেকা ওয়া আগ্বনি নেবি ফাযলেকা আম্মান সেওয়াকা ইয়া হাইয়ো ইয়া কাইয়োম”।

 

দারিদ্র্য ও দুঃচিন্তা দূরীকরন এর জন্য দোয়া
হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) নিম্ন দোয়াটি দারিদ্র্য ও দুঃচিন্তা দূরীকরন এর জন্য পাঠ করতে বলেছেন –

“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলীইল আযিম”।

 

 

খাদ্য (রিযক) বৃদ্ধির দোয়া
হযরত আলী আঃ ফজর নামাজ আদায় এর পর নিম্ন দোয়া পাঠ করলে রিযক বৃদ্ধি হয়।

“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আল্লাহুম্মা সুন ওয়ায হি বিল ইয়াসারে ওয়ালা তুবাদ্দিল জাহি বিল ইক্ব তারে ফাস ত্বুর যিকা তালেবি রিযকেকা ওয়াস তা তিফা শিরারা খ্বালক্বেকা ওয়া উবতালা বে হামদে মান আ’তানি ওয়া উফতা তানা বেযাম্মে মান মানা’আনি ওয়া আন্তা মিন ওয়ারায়ে যালেকা কুল্লেহি ওয়ালি উল ই’তায়ে ওয়াল মানা’আ ইন্নাকা আলা কুল্লে শায়য়েন ক্বাদির”

 

অশুভ আত্না এবং অদৃশ্য যাদু বাতিল বা নষ্ট করতে
হযরত মোহাম্মাদ সাঃ বলেছেন – নিম্ন কোরআনের আয়াত পাঠ করলে অশুভ আত্না এবং অদৃশ্য যাদু বাতিল বা নষ্ট করা যায়।

“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.