মহানবী’র (সা.) জানাযা, গোসল, কাফন ও দাফন

মহানবী’র (সা.) জানাযা, গোসল, কাফন ও দাফন

ইমাম জাওয়াদ, ইমাম তাকি, Imam jawad, mohammad taki, imam taki, মিয়ানমার, যুহাইর বিন কাইন, জুহাইর বিন কাইন, zuhair bin Kain , যোহাইর , যোহাইর বিন কাইন , লাইলা, উম্মে লাইলা, Laila, umme laila, Hazrat ali akbar, ali akbar, হজরত আলী আকবর, আলী আকবর, কারবালা, কুবানি, kubani, সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী, আমেরিকা, ভারত, মিয়ানমার, চীন, নরেন্দ্র মোদি, আসাম, ওবামা, বারাক ওবামা, মুখতার সাকাফি, মোখতার সাকাফি, mokhter sakafi, জাবের ইবনে হাইয়ান, ইমাম সাদিক, সুইডেন, Hazrat fizza, hazrat fijja, হজরত ফিজ্জা, হজরত ফিযযা, সিরিয়া, শাম, এজিদের দরবার, জয়নাব, সকিনা, রাফাহ ক্রসিং, অবমাননা, মহানবী, hussain, mohammad, imam mahdi, সিফফিন, জামালের যুদ্ধ, নারওয়ানের যুদ্ধ, খলিফা, খেলাফত, ইমামত, আলী, সিদ্দীক, ফারুক, মোর্তযা, বদর, ওহদ, খন্দক, খায়বার, বণী Shia, Sunni, Islam, Quran, Karbala, najaf, kufa, mashad, samera, madina, makka, jannatul baqi, kazmain, ali, Fatima, hasan, সাকিফা, বণী সায়াদা, সাহাবী, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, ড্রোন, বিমান, হাসান নাসরুল্লাহ , লেবানন, ইরান,  চীন, মালয়েশিয়া,  স্যাটেলাইট, কুয়ালালামপুর, বেইজিং, ভিয়েতনাম, মার্কিন, গোয়েন্দা, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, আল কায়েদা, তাকফিরী, ইখওয়ানুল মুসলেমিন, বাংলাদেশ, ভারত, জিহাদ, ফিলিস্তিন, ইহুদি, গাজা, শহীদ, জিহাদ, ক্ষেপণাস্ত্র, দূতাবাস, সৌদি আরব , কুয়েত, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, আমেরিকা, ভিয়েনা, পরমাণু, বাহারাইন, আফগানিস্থান, থাইল্যান্ড, হজরত ফাতিমা, মার্জিয়া, সিদ্দিকা, মোহাদ্দেসা, বাতুল, উম্মে আবিহা, যাহরা, মুবারেকা, যাকিয়া, তাহেরা, রাযিয়া, জিহাদুন নিকাহ, পোপ, পাদ্রি, বাইতুল মোকাদ্দাস, ওহাবী, সালাফি, মুফতি, ড্রোন, পাকিস্থান, এজিদ, মাবিয়া, আবু সুফিয়ান, আলী আকবর, হুসাইন, শাবান, আমল, শবে বরাত, রমজান, দায়েশ, তাকফিরী, তালেবান, মোতা, মোতা বিবাহ, সেগা করা,দায়েশ, তাকফিরি, তালেবান, ওহাবী, আইএসআইএল,গাজা, ফিলিস্তিন, ইসরাইল, শিশু হত্যা, কুদস দিবস, জুমআতুল বিদা, কুদস,সাদক্বা, দান খয়রাত, ফেতরা, জাকাত, সাদকা, ভিক্ষা,  শবে বরাত, লাইলাতুল বরাত, দায়েশ, জঙ্গি,  দামেস্ক, ইসরাইল, সাইবার হামলা, ‍ৃ

টিভি শিয়া: যারা মহানবী হযরত মোহাম্মদের (সা.) পবিত্র জানাযা’র গোসল দিয়েছেন এবং তাঁর কাফন ও দাফন কার্যে শরিক হয়েছেন তারা হচ্ছেন:

১। হযরত আলী ইবনে আবি তালিব (আ.)।

২। রাসুলের (সা.) চাচা আব্বাস।

৩। ফাযল ইবনে আব্বাস।

৪। (মহানবী’র আযাদ করা ক্রিতদাস) সালেহ।

অতএব, বলা যেতে পারে যে, রাসুলের সাহাবিরা তাঁর জানাযাকে পরিবারের সদস্যদের মাঝখানে ছেড়ে চলে গেছেন এবং হাতে এই গোনা কয়েকজন ব্যক্তিবর্গ রাসুলের (সা.) জানাযা’র গোসল ও কাফন-দাফনের দায়িত্ব পালন করেছেন। (তাবাকাত ইবনে সা’দ, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা: ৭০; কানযুল উম্মাল, ৪র্থ খন্ড, পৃষ্ঠা: ৫৪ ও ৬০; আওস ইবনে খাওলা আল আনসারি’র বর্ণনাতেও এ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, দ্রষ্টব্য: আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ১১০)

অপর এক হাদীস মতে ফাযল ও কুসাম, আব্বাসের সন্তানগণ ও নবী’র (সা.) স্বাধীন করা ক্রিতদাস শুকরান এবং অপর এক বর্ণনা মতে ওসামা বিন যায়দকে সাথে নিয়ে হযরত আলী (আ.) রাসুলের (সা.) গোসাল ও কাফন-দাফনের কার্য সম্পাদন করেছেন। (আল ইকদুল ফারিদ, ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা: ৬১; যাহাবিও তার তারিখের বইতে ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৩২১, ৩২৪ ও ৩২৬ -এ ইকদুল ফারিদের মতই কথা বর্ণনা করেছেন)

আর আবুবকর ও ওমর এ কাজে উপস্থিত ছিলেন না। (কানযুল উম্মাল, ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা: ১৪০)

নবী করিমের (সা.) চাচা আব্বাস এ সময় হযরত আলীকে (আ.) বল্লেন:

“یا ابن اخی هلمّ لأبایعک فلا یختلف علیک اثنان”

হে আমার ভাতিজা ! এগিয়ে এসো যাতে তোমার হাতে বাইআত করি, এরপর আর কেউ তোমার বিরোধিতা করবে না। (মুরুজুয যাহাব, মাউদি, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা: ২০০; তারিখুল ইসলাম, যাহাবি, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৩২৯)

হযরত আলী (আ.) বল্লেন:

“لَنا بِجِهازِ رَسولِ الله شُغلٌ”

আপাতত আমাদের কাজ হল আল্লাহ’র রাসুলের (সা.) গোসল ও কাফন দাফন দেয়া। (শরহে নাহজুল বালাগা, ইবনে আবিল হাদিদ, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ১৩১)

হযরত আয়েশাও এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না এবং রাসুলের (সা.) গোসল ও কাফন-দাফনের কোনো খোজ খবর নেননি।

قَالَتْ عَائِشَةَ: “مَا عَلِمْنَا بِدَفْنِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى سَمِعنا صَوْتَ الْمَسَاحِي مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ لَيْلَةَ الْأَرْبِعَاءِ”

অবশ্য স্বয়ং তার নিজের বর্ণনা মতে বুধবারের মধ্য রাতে যখন তিনি বেলচার আওয়াজ শুনতে পেলেন ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি জানতেন না। (সিরাহ ইবনে হিশাম, ৪র্থ খন্ড, পৃষ্ঠা: ৩৪৪; তারিখু তাবারি, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা: ৪৫২ ও ৪৫৫; ইবনে কাসির, ৫ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ২৭০; উসদুল গাবা, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৩৪; মুসনাদ আহমাদ, ৬ষ্ঠ খন্ড, পৃষ্ঠা: ৬২, ২৪২ ও ২৭৪।)

সেই সময় সাক্বিফা বনী সায়েদা নামক স্থানে একদল আনসার তাদের মধ্য হতে নেতা নির্ধারণে ব্যস্ত ছিলেন। (মুসনাদ আহমাদ, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ২৬০; ইবনে কাসির, ৫ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ২৬০; সাফওয়াতুস সাফওয়া, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৮৫; তারিখুল খামিস, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ১৮৯; তারিখু তাবারি, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা: ৪৫১; তারিখু আবিল ফিদা, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ১৫২; উসদুল গাবা, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৩৪; আল ইকদুল ফারিদ, ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা: ৬১; তারিখুল ইসলাম যাহাবি, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৩২১; তাবাকাত ইবনে সা’দ, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা: ৭০; তারিখে ইয়কুবি, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা: ৯৪; আল ইসতিআ’ব, ৪র্থ খন্ড, পৃষ্ঠা: ৬৫।)

Leave a Comment

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.